আজ বুধবার, ০৬ মে, ২০২৬ | সত্যের সন্ধানে রেড জুলাই নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
দেশ বিদেশের সর্বশেষ আপডেট পেতে রেড জুলাই নিউজের সাথেই থাকুন... সঠিক সংবাদ সবার আগে।

নেত্রকোনায় শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার: পুলিশ সুপারকে ধন্যবাদ, স্বস্তি ফিরছে পরিবারে

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 








নেত্রকোনায় এক শিক্ষকের লালসার শিকার হয়ে ১১ বছরের এক শিশু ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামিকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র‍্যাবের সমন্বয়ে । আটদিন ধরে অভিযুক্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় এলাকাজুড়ে যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল, তার অবসান ঘটেছে এ গ্রেপ্তারের মাধ্যমে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ ছিল, ঘটনার পর তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছিলেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মামলা তুলে নিতে চাপ সৃষ্টি ও হত্যার হুমকি দিচ্ছিল বলে দাবি করেন তারা। বিভিন্ন মহলে সহায়তা চেয়েও কার্যকর পদক্ষেপ না পেয়ে পরিবারটি হতাশ হয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে পরিবারটি রেড জুলাই ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমন্বয়ক, সাবেক এনসিপি সংসদীয় প্রার্থী (নেত্রকোনা সদর-০২) আকাশ অভির শরণাপন্ন হন। বিষয়টি জানার পর তিনি নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপার ও সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান। পাশাপাশি তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলেও বিষয়টি তুলে ধরেন।

এরপর জেলা পুলিশের তৎপরতা জোরদার হয়। ডিবি পুলিশ ও র‍্যাবের সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে অবশেষে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এ ঘটনায় সচেতন মহল বলছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপই জনআস্থার মূল ভিত্তি। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে প্রশাসন একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে—অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।

ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। তারা আশা করছেন, দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হবে এবং শিশুটির চিকিৎসা ও নিরাপত্তা যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হবে।

এ ঘটনায় স্থানীয় নাগরিক সমাজও সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবেদনশীল মামলায় আরও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

পরবর্তী আইনি অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আপডেটের অপেক্ষায় রয়েছে

https://youtube.com/shorts/whIPYrGv85k?si=eBJUgj2g02pkDs9L













নেত্রকোনায় শিক্ষকের লালসার শিকার ১১ বছরের শিশু: ৮ দিনেও গ্রেপ্তার না, সহায়তা না পেয়ে আকাশ অভির শরণাপন্ন পরিবার—অভিযানে নেমেছে প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 




নেত্রকোনায় শিক্ষকের লালসার শিকার ১১ বছরের শিশু: ৮ দিনেও গ্রেপ্তার না, সহায়তা না পেয়ে আকাশ অভির শরণাপন্ন পরিবার—অভিযানে নেমেছে প্রশাসন

নেত্রকোনায় এক শিক্ষকের লালসার শিকার হয়ে ১১ বছরের এক শিশু ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মানবিক ও আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত স্পর্শকাতর এই ঘটনায় মামলা দায়েরের আটদিন পার হলেও শুরুতে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর পরিবারের।

পরিবারের দাবি, ঘটনার পর থেকে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ছিলেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। বিভিন্ন মহলে সহযোগিতা চাইলেও কার্যকর কোনো সহায়তা না পেয়ে তারা হতাশ হয়ে পড়েন।

অবশেষে ন্যায়বিচারের আশায় তারা রেড জুলাই ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমন্বয়ক এবং সাবেক এনসিপি সংসদীয় প্রার্থী (নেত্রকোনা সদর-০২) আকাশ অভির শরণাপন্ন হন।

বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই আকাশ অভি নেত্রকোনা সদর পুলিশ সুপার মহোদয় ও মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহোদয়ের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেন এবং দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান। পাশাপাশি তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিদের সঙ্গেও কথা বলে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

এরপর থেকেই প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তৎপরতা শুরু করেছে বলে জানা গেছে। ডিবি পুলিশ ও র‍্যাব যৌথভাবে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছেন, অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং ভুক্তভোগী শিশুটির চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।



এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, শুরু থেকেই যদি যথাযথ তৎপরতা দেখা যেত, তবে পরিবারটিকে এতদিন আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে হতো না।

পরবর্তী আপডেট পাওয়া মাত্র জানানো হবে।

আপনি চাইলে এটাকে আরও প্রতিবাদী বা আরও নিরপেক্ষ সংবাদভাষায় রূপান্তর করে দিতে পারি।

ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের দাবি জোরালো

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 




নতুন ডিবি ওসি মাহবুবুল হককে ঘিরে বাড়ছে প্রত্যাশা

ময়মনসিংহ জেলায় মাদকের বিস্তার নিয়ে জনমনে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। শহর থেকে শুরু করে বিভিন্ন উপজেলায় মাদকদ্রব্যের সহজলভ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অবিলম্বে কঠোর ও সমন্বিত বিশেষ অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, পরিস্থিতি এখনই নিয়ন্ত্রণে না আনলে সামাজিক স্থিতিশীলতা ও তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে।

সম্প্রতি জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে মাহবুবুল হকের যোগদানকে কেন্দ্র করে এই প্রত্যাশা আরও জোরালো হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছে, নতুন নেতৃত্বের অধীনে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়লে মাদক চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ সম্ভব হবে।

সুশীল সমাজের উদ্বেগ

শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, আইনজীবী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা একাধিক আলোচনা সভায় বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়—একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। বিশেষ করে ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিলের মতো মাদক সহজলভ্য হওয়ায় তরুণদের মধ্যে আসক্তির হার বাড়ছে। এর ফলে চুরি, ছিনতাই, সহিংসতা এবং পারিবারিক অশান্তির ঘটনাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তাদের ভাষ্য, “নিয়মিত অভিযান যথেষ্ট নয়। মাদক চক্রের মূল হোতা ও বড় সরবরাহকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার না করলে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়।”

নতুন ডিবি ওসিকে ঘিরে প্রত্যাশা

নতুন ডিবি ওসির প্রতি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা স্পষ্ট। স্থানীয়দের বিশ্বাস, পেশাদারিত্ব, সততা ও কঠোরতার সমন্বয়ে পরিচালিত হলে মাদকবিরোধী অভিযানে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে—

মাদক চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার

সীমান্ত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে নজরদারি বৃদ্ধি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জনবহুল এলাকায় বিশেষ অভিযান

মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা

জনগণকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার

প্রশাসনের সমন্বিত ভূমিকা জরুরি

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানই যথেষ্ট নয়; এর পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া মাদকমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব নয়।

উপসংহার

ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করা এখন সময়ের দাবি। নতুন ডিবি ওসির নেতৃত্বে যদি সুপরিকল্পিত ও কঠোর অভিযান পরিচালিত হয়, তবে পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এখন দেখার বিষয়—প্রত্যাশা কতটা বাস্তবে রূপ নেয় এবং ময়মনসিংহ কত দ্রুত মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্তি পায়।

ময়মনসিংহে ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতির বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও ভূমিদখলের অভিযোগ, গ্রেফতার দাবি এলাকাবাসীর

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 






ময়মনসিংহ মহানগরীর ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জুলহাসের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও ভূমিদখলের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে তিনি একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলেন এবং তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে হামলা-ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটত।





অভিযোগ রয়েছে, ভূমিদখল ছিল তার প্রধান কর্মকাণ্ডের একটি অংশ। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পরও তার কার্যক্রম থেমে নেই বলে দাবি করছেন এলাকাবাসী। তাদের ভাষ্য, কিছু প্রভাবশালী মহলের আশ্রয়ে থেকে এখনো বিভিন্ন ধরনের প্রভাব বিস্তার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি ও তার সহযোগীরা।





স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কোতোয়ালী মডেল থানায় তার নামে মামলা থাকলেও এখনো তাকে গ্রেফতার করা হয়নি। এ বিষয়ে এলাকাবাসীর প্রশ্ন—আইনি প্রক্রিয়া থাকা সত্ত্বেও কেন এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি?






ময়মনসিংহের ৯ নং ওয়ার্ড কালীবাড়ি এলাকার বাসিন্দারা দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, অভিযোগগুলো সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হলে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

নেত্রকোনায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:



নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১ মে) বেলা আড়াইটার দিকে মদন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে এসআই খোরশেদ আলম ও এসআই নাজমুল হাসানের সহযোগিতায় এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মদন উপজেলার ২নং চানগাঁও ইউনিয়নের চানগাঁও শাহপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত ব্যক্তি মোঃ রবিউল ইসলাম (৩২)। তিনি চানগাঁও শাহপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম মৃত রোজ আলী।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে তার কাছ থেকে ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পুলিশ জানায়, মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

নেত্রকোনায় ইয়াবা ক্রয়ের সময় আটক ৬ জন, জরিমানা ও কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 


নেত্রকোনা সদর উপজেলার ৪ নং সিংহের বাংলা ইউনিয়নে মাদকবিরোধী অভিযানে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।




বুধবার দুপুরে ইয়াবা ক্রয় করে ফেরার সময় স্থানীয় জনগণ তাদের আটক করে পুলিশ ও প্রশাসনকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।




ভ্রাম্যমাণ আদালতে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দুইজনকে ৫০ টাকা করে মোট ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া একজনকে ২০ দিনের এবং আরেকজনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। বাকি দুইজনকে নিয়মিত মামলা দায়েরের জন্য থানায় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।




এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শিরোনাম: নেত্রকোণায় মাদকবিরোধী অভিযানে সাফল্য, ইয়াবাসহ তিন নারী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত:

 


নেত্রকোণা প্রতিনিধি:

নেত্রকোণা জেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর রেলক্রসিং এলাকায় পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ তিন নারী মাদককারবারিকে আটক করা হয়েছে।




অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে ৯৪০ পিস ইয়াবা, ২টি ল্যাপটপ, ১২টি মোবাইল ফোন এবং মাদক বিক্রির নগদ ৪৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় গোপনে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছিল, যার ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ অভিযান পরিচালনা করে।



নেত্রকোণা মডেল থানা-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

🔴 Red July-এর পক্ষ থেকে বিবৃতি:
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক সমাজের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
#নেত্রকোণা #মাদকবিরোধীঅভিযান #RedJuly